ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ভূমি দপ্তরে কোন দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। ভূমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি৷ গ্রহণ করা হয়েছে। সারা দেশেই এই মন্ত্রণালয় বা দপ্তরগুলোর বিষয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে সচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করে, দুর্নীতি বন্ধ করে এই মন্ত্রণালয়ের ইমেজ পুনরুদ্ধার করা।
তিনি বলেন, জিরো টলারেন্স নীতি শুধু আমাদের এই মন্ত্রণালয়ের জন্য নয়, সকল মন্ত্রণালয় জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে। প্রধানমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রী সভার বৈঠকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ দলের নেতাকর্মীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকা নেত্রকোনায় এসে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় তিনি বলেন, এখন প্রধান কাজ হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের ইমেজ পুনরুদ্ধার করা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা -দুর্গাপুর) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন কায়সার কামাল। পরে তাঁকে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেইভাবে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ১৮০ দিনের খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা থাকায় জনবান্ধব সরকার হতে হবে। এটি অংশগ্রহণমূলক দেশ। জনগণকে সম্পৃক্ত করেই কাজ করতে চাই। প্রমাণ করতে চাই এই সরকার জনগণের সরকার। শুধু এটাই না, বিএনপি সরকার যে জনগণের সরকার, এটা প্রমাণ করব ইনশাআল্লাহ।
বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের যে ঐতিহ্য ছিলো যেমন খাল, বিল, পুকুর সেগুলোর কোনটা ভরাট হয়েছে, কোনটা বেদখল হয়েছে। আবার কোন জলাশয় বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যক্তি স্বার্থে লিজ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে জনস্বার্থ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রত্যেকটা কাজ করতে চাই।
এদিন সকালে কলমাকান্দায় পৌঁছালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার প্রদান শেষে তিনি সেখানে একটি ঔষধি গাছ রোপণ করার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে নিজ গ্রাম চত্রংপুরের মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে বাবা–মায়ের কবর জিয়ারত করেন তিনি

আপনার মতামত লিখুন :