ঢাকা শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নওগাঁর ছয়টি সংসদীয় আসনের সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীসহ ২০ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

নওগাঁর ছয়টি সংসদীয় আসনের সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীসহ ২০ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে
নওগাঁর ছয়টি সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীসহ ২০ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ (আট ভাগের এক ভাগ) ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নওগাঁর ছয় আসনে অংশ নেওয়া ২০ প্রার্থীর কেউই এ শর্ত পূরণ করতে পারেননি।

নওগাঁ-১ আসন
এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকে মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম পান ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।

মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫ জন। প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫১১। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় আকবর আলী (লাঙ্গল), মো. আ. হক শাহ্ (হাতপাখা) ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছালেক চৌধুরী (স্বতন্ত্র) জামানত হারাচ্ছেন।

নওগাঁ-২ আসন
এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকের সামসুজ্জোহা খান পান ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট।

মোট ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৪৩৬। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৮৬ হাজার ৭০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় মতিবুল ইসলাম (এবি পার্টি) জামানত হারাচ্ছেন।

নওগাঁ-৩ আসন
আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফজলে হুদা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহফুজুর রহমান পান ১ লাখ ১৯ হাজার ৪২১ ভোট।

মোট ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৫। প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৯৬৭। এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় মাসুদ রানা (লাঙ্গল), কালিপদ সরকার (মই), আব্দুল্লাহ আল মামুন সৈকত (টেলিভিশন), নাসির বিন আছগর (হাতপাখা), পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী (কলস) ও সাদ্দাম হোসেন (জাহাজ) জামানত হারাচ্ছেন।

নওগাঁ-৪ আসন
ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকের ডা. ইকরামুল বারী টিপু পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের খন্দকার মুহা. আব্দুর রাকিব পান ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট।

মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬০। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৪১ হাজার ৮৪৮। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় আলতাফ হোসেন (লাঙ্গল), সোহরাব হোসাইন (হাতপাখা), ডা. এস এম ফজলুর রহমান (কাস্তে) ও আরফানা বেগম ফেন্সি (কলস) জামানত হারাচ্ছেন।

নওগাঁ-৫ আসন

পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকের জাহিদুল ইসলাম ধলু ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম পান ১ লাখ ৪ হাজার ৭৪৭ ভোট।

মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৩০। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭। শফিকুল ইসলাম (কাস্তে), আব্দুর রহমান (হাতপাখা) ও আনোয়ার হোসেন (লাঙ্গল) প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারাচ্ছেন।

নওগাঁ-৬ আসন
পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকের শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের খবিরুল ইসলাম পান ৯৭ হাজার ৬২৯ ভোট।
মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৬। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৩২ হাজার ৯২৩। এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির (মোটরসাইকেল), রফিকুল ইসলাম (হাতপাখা) ও আতিকুর রহমান রতন মোল্লা (হাতি) জামানত হারাচ্ছেন।

বর্তমান বাংলাদেশ

Link copied!