ঢাকা শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

আদমদীঘিতে কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরি, জনমনে আতঙ্ক

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০৫:২৯ পিএম

আদমদীঘিতে কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরি, জনমনে আতঙ্ক

ছবি: সংগৃহীত

মোহাম্মদ মাইন বগুড়ার আদমদীঘিতে এক কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডহরপুর গ্রামে এই চুরির ঘটনা ঘটে৷ এতে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই কৃষক হামিদুলের স্ত্রী রেহেনা বেগম। ইতিপূর্বে উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম এলাকার এক সনাতন ধর্মের ব্যবসায়ীর একটি গরু চুরি করে মাংস নিয়ে চামড়া ও ভুড়ি ফেলে রেখে যায় চোরেরা। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে চারেদিকে কয়েকদিন ধরে এই আলোচনা হতে দেখা যায়।


জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডহরপুর গ্রামের কৃষক হামিদুল ইসলাম ক্ষেতখামারের পাশাপাশি গরু পালন করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো তার গোয়াল ঘরে ছয়টি গরু বেঁধে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে তার স্ত্রী রেহেনা বেগম প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে উঠে গোয়াল ঘরে গরু দেখতে না পেয়ে চিৎকার- চেঁচামেচি শুরু করে। এসময় পরিবারের লোকজনের ঘুম ভাঙলে বিভিন্ন জায়গায় গরু খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে গরুগুলো না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন তারা। চুরি যাওয়া ছয়টি গরুর আনুমানিক মূল্য সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন কৃষক হামিদুলের স্ত্রী রেহেনা বেগম। এদিকে উপজেলার কয়েকটি এলাকায় এমন গরু চুরির অভিযোগ উঠে আসে। যার কোন ভূমিকা বা উদ্ধারকার্য নেই পুলিশের। এরমধ্যে আলোচিত ঘটনা হলো ছাতিয়ানগ্রাম এলাকায় এক সনাতন ধর্মের ব্যবসায়ীর একটি গরু চুরি করে মাংস নিয়ে চামড়া ও ভুড়ি ফেলে রেখে যায় চোরেরা। কয়েকদিন ধরে এই আলোচনা চারদিকে হতেই থাকে৷ এই ঘটনায় পুলিশের কোন ভূমিকা চোখে পড়ে বলে জানান স্থানীয়রা। ফলে রাত হলেই কৃষক সহ জনসাধারণের মনে চুরির আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে পুলিশের আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক।


আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ঘটনা জানার পর থেকে চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার ও চোর সনাক্ত করতে জোরতৎপরতা চালানো হচ্ছে।

বর্তমান বাংলাদেশ

Link copied!